LOADING

গঠনতন্ত্র

প্রস্তাবনাঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজসেবা অধিদফতরের স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থাসমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ, ১৯৬১ ও সংশিষ্ট বিধি, ১৯৬২ এর আওতায় যুব উন্নয়ন, শিশু কল্যাণ, মাদক এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন, বৃক্ষরোপন, সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চা, কারিগরী ও প্রযুক্তি শিক্ষার প্রশিক্ষণ, পরিবেশ – জলবায়ু ও জীববৈচিত্র সংরক্ষণে জনমত তৈরী, খেলাধুলা ও শরীরচর্চায় উদ্বুদ্ধকরণ, সংক্রামক ব্যাধি দুরীকরণে প্রচারণা চালানো, গরীব মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে বৃত্তি এবং বইপত্র প্রদান, নিরক্ষরতা দূরীকরণ সহ এসডিজি বা “সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোলস” (Sustainable Development Goals) বাস্তবায়নে স্বেচ্ছায় সহযোগীতার লক্ষে একটি অলাভজনক (Non-Profit) সমাজ কল্যাণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করবে।

পরিচালন বিধি এবং ধারা সমূহ
ধারা – (১) নামঃ এই সংগঠনের নাম হবে “নতুন বাংলাদেশ”। ইংরেজী বানান হবে “Notun Bangladesh”
ধারা – (২) কার্যালয়ঃ সংগঠনের প্রধান কার্যালয় বর্তমানে ঢাকা বিভাগের মাদারীপুর জেলায় অবস্থিত থাকবে এবং প্রয়োজনে স্থানান্তর করা যাবে।
ধারা – (৩) আওতাঃ বাংলাদেশের সকল জেলায় এই সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
ধারা – (৪) সংগঠনের প্রকৃতিঃ এই সংগঠন সম্পুর্ণ অরাজনৈতিক ও সমাজকল্যাণমুখী। অসাম্প্রদায়িকতা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে এই সংগঠন বিভিন্ন সমাজ কল্যাণমুলক কাজে স্বেচ্ছায় অংশগ্রহণ করবে। কোন রাজনৈতিক অথবা ব্যক্তি স্বার্থে বা উদ্দেশ্যে এই সংগঠনটি ব্যবহার করা হবে না।
ধারা – (৫) লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যঃ সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের সাথে সংগতিপূর্ণ বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম গ্রহণ করা সহ নিন্মোক্ত বিষয়গুলো প্রাধান্য পাবে। যথা
(ক) দেশের স্বার্থ সর্বাগ্রে বিবেচ্য হবে।
(খ) প্রাথমিক ভাবে স্থানীয় সংগঠন হিসেবে কাজ করা এবং সেই লক্ষ্যে সমাজের শিক্ষিত শ্রেণি এবং সচেতন নাগরিকদের সম্বনয়ে কমিটি গঠন করা।
(গ) ধাপে ধাপে বিভাগ, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে এর কার্যক্রম বিস্তৃত করা।
(ঘ) সংগঠনের সদস্য, বিশেষজ্ঞ এবং সমাজের বিশিষ্টজনদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করে এবং স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠির জন্য বিভিন্ন প্রকার সভা/সেমিনার/কর্মশালা, প্রশিক্ষণ বা ওরিয়েন্টশনের ব্যবস্থা করা এবং সার্টিফিকেট প্রদান করা।
(ঙ) সংক্রামক ব্যাধি ও কুসংস্কার দূরীকরণে ব্যপক প্রচারণা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং জনমত গঠন করা
(চ) সমাজের বিভিন্ন অসংগতি বিশেষ করে মাদক, নিরক্ষরতা, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং, নারী-পুরুষ বৈষম্য, যৌতুক প্রথা, নারী ও শিশু নির্যাতন, মানবাধিকার লঙ্ঘন প্রভৃতি বন্ধ অথবা হ্রাস করণের লক্ষ্যে সামাজিক আন্দোলন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা
(ছ) পরিবেশ-জলবায়ু ও জীববৈচিত্র রক্ষায় এসডিজি লক্ষ্যমাত্রার ক্লাইমেট একশন গোল বাস্তবায়নে কাজ করা
(জ) এক্সচেঞ্জ ও স্কিল ডেভেলপমেন্ট বিষয়ক কর্মশালা আয়োজন করে দেশী-বিদেশী শিক্ষার্থীদের সাথে পরিচিত হওয়া এবং বৈশ্বিক কমিউনিটি তৈরী।
(ঝ) সচেতন ইয়ুথদের নিয়ে সম্ভব্য বৃহৎ বহু রাষ্ট্র ভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবী দল গঠন করা।
(ঞ) এই সংগঠনের সদস্যদের গৌরবোজ্জ্বল ভাষা আন্দোলন ও মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ও নীতি আদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ সৃষ্টি এবং এরই সাথে নৈতিক মূল্যবোধ, দেশপ্রেম ও সামাজিক দায়িত্ববোধ জাগ্রত করে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা।
(ঞ) আর্šÍজাতিক বিখ্যাত অলাভজনক প্রতিষ্ঠান যেমন রেডক্রস, টিআইবি, একটিভ সিটিজেন প্রভৃতির সাথে একাতœতা প্রকাশ করে তাদের সহযোগী হিসেবে তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করা।
(ট) প্রাকৃতিক বিপর্যয় যেমন দুর্ভিক্ষ, বন্যা, ঘুর্ণিঝড়, ভূমিধস, মহামারী, অনাবৃষ্টি, অতিবৃষ্টি সহ সকল প্রকার দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থদের জন্য ত্রাণ তহবিল গঠন এবং পূনর্বাসনে জাতীয় ও আন্তজার্তিক পর্যায়ে কাজ করা।

ধারা – (৬) সদস্য পদঃ সদস্য পদ হবে দুই ধরণের। যথাঃ

(ক) সাধারন পরিষদঃ বাংলাদেশে অবস্থানরত যে কোনো বৈধ নাগরিক এই সংগঠনের সাধারণ পরিষদের সদস্য হতে পারবেন। সর্বোচ্চ সদস্য সংখ্যা হবে ৫০ জন
(খ) কার্য-নির্বাহী পরিষদঃ সদস্যদেও সরাসরি ভোটে নির্বাচিত একজন নারী সদস্য সহ সর্বোচ্চ ০৭ জন কার্য-নির্বাহী পরিষদের সদস্য হতে পারবেন।

ধারা – (৬) ক. সদস্য পদে অর্ন্তভ‚ক্তিঃ সদস্য পদের জন্য নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। যে কোনো আবেদনকারীর সদস্য পদে অর্ন্তভুক্তির ব্যপারে নির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত বলে গন্য হবে। সাধারণ সদস্য হওয়ার জন্য কমপক্ষে ১৬ বছর এবং নির্বাহী সদস্য হওয়ার জন্য কমপক্ষে ২৩ বছর হতে হবে। ফৌজদারী অপরাধে দন্ডিত এমন কোন ব্যক্তি নির্বাহী সদস্য হওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন না। সদস্য হতে হলে অবশ্যই এসএসসি পাশ (অধ্যয়নরত নয়) এবং নির্বাহী সদস্য হতে হলে কমপক্ষে এইচএসসি পাশ হতে হবে।

ধারা – (৬) খ. সদস্য পদ বাতিলঃ নিন্মোক্ত কারণগুলোর দরুণ সদস্যপদ বাতিল হতে পারে। যথাঃ

(ক) কোন সদস্যের বিরদ্ধে দেশ কিংবা সংগঠনের গঠনতন্ত্র পরিপন্থী কোন কাজ প্রমাণিত হলে ৩ কার্যদিবসের মধ্যে তার সদস্যপদ বাতিল হবে।
(খ) সাধারণ পরিষদের মধ্যে কেউ যুক্তি সংগত কোন কারন ছাড়া পর পর তিনটি সভায় অনুপস্থিত থাকলে তার সদস্যপদ বাতিল হবে। এক্ষেত্রে নির্বাহী সদস্য পরিষদের সুপারিশ/মন্তব্য গ্রহণ করা হবে।
(গ) সংগঠনের স্বার্থ পরিপন্থী ও আর্থিক ক্ষতির সাথে জড়িত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সদস্যপদ বাতিল বলে গণ্য হবে। সদস্য হবার পর কেউ দেশে প্রচলিত আইন দ্বারা দন্ডিত হলে তার সদস্য পদ স্থগিত থাকবে এবং সাধারণ পরিষদেও সিদ্ধান্ত অনুসাওে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
(ঘ) পদ হতে অব্যহতি ঃ কার্য-নির্বাহী অথবা সাধারণ সদস্য পরিষদের কেউ ইস্তফা দিলে তার কারন উল্লেখ করে সভাপতি বরাবর লিখিত আবেদন পেশ করতে হবে। সভাপতি কার্য-নির্বাহী পরিষদের বাকি সদস্যদের সম্মতি ক্রমে সদস্যের পদত্যাগ পত্র গ্রহণ কিংবা বাতিল করতে পারবেন। সভাপতি নিজে তার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চাইলে সাধারণ সম্পাদকের নিকট লিখিত আবেদন করতে হবে। সম্পাদক এরূপ অবস্থায় পরবর্তী ৫ (পাঁচ) কার্য দিবসের মধ্যে নির্বাচনের মাধ্যমে সভাপতি নির্বাচন করে পুনরায় তার হাতে দায়িত্ব অর্পন করবেন। নির্বাচনে নির্বাহী সদস্য পরিষদ এবং কার্য নির্বাহী পরিষদের যে কেউ প্রার্থী হতে পারবেন।
(ঙ) মৃত্যু, উন্মাদ অথবা দায়িত্বপালনে অপারগ হলে।

ধারা – (৭) সাংগঠনিক কাঠামোঃ সাংগঠনিক কাঠামো হবে দুই স্তরের। যথাঃ

১) কার্য-নির্বাহী পরিষদ (০৭ জন)
২) সাধারণ সদস্য পরিষদ (৫০ জন)

(ক) কার্য-নিবার্হী পরিষদ (সর্বমোট ০৭ জন) ঃ বার্ষিক সাধারন সভায় সর্বসম্মতিক্রমে বা সদস্যদের ভোটে ০১ বছরের জন্য নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা নির্বাচিত হবেন। এই পরিষদের সাংগঠনিক কাঠামো হবে নিন্মরুপঃ

সভাপতি – ০১ জন
সাধারণ সম্পাদক – ০১ জন
কার্যকরী সদস্য (প্রচার) – ০১ জন
কার্যকরী সদস্য (সাংস্কৃতি ও খেলাধূলা) – ০১ জন
কার্যকরী সদস্য (পরিকল্পনা) – ০১ জন
কার্যকরী সদস্য (ব্যবস্থাপনা) – ০১ জন
কোষাধ্যক্ষ – ০১ জন

(খ) সাধারণ সদস্য পরিষদঃ ধারা (৭) প্রযোজ্য হবে। সদস্য সংখ্যা সর্বোচ্চ ৫০ জন। উল্লেখ্য যে কমপক্ষে (০৫) পাঁচ জন নারী সদস্য থাকা বাধ্যতামুলক। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের যৌথ অনুমোদনে সাধারণ সদস্য পরিষদ কার্যকর হবে।

ধারা – (৮) ক্ষমতা, দায়িত্ব এবং জবাবদিহিঃ পদধারী ব্যক্তিগণ নিন্মোক্ত ক্ষমতার অধিকারী হবেন। যথাঃ

(ক) সভাপতিঃ তিনি সংগঠনের নিয়মতান্ত্রিক প্রধান হবেন। সভাপতি সাধারণ সদস্য পরিষদের প্রত্যক্ষ ভোটে ০১ বছরের জন্য নির্বাচিত হবেন। সভার রেজুলেশন এবং প্রয়োজনীয় আর্থিক খরচের বিভিন্ন বিষয়াদি অনুমোদন করতে পারবেন। তিনি কার্যনির্বাহী পরিষদে শুধুমাত্র সম্পাদক ব্যতীত অন্য সদস্যদের সদস্যপদ বাতিলের ক্ষমতা রাখবেন। সম্পাদককে বহিস্কার করতে চাইলে সভাপতিকে অন্য সদস্যদেও সাথে আলোচনা করতে হবে এবং বেশীরভাগ সদস্যদেও প্রত্যক্ষ (অনাস্থা) ভোটের প্রয়োজন হবে। তিনি দলের নেতৃত্ব দিবেন এবং কোন সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে পক্ষে বিপক্ষে সমান সংখ্যক ভোট পড়লে তিনি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। তিনি শুধুমাত্র উপদেষ্টা পরিষদের নিকট জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকবেন। সভাপতির মেয়াদ শেষ হলে তিনি পুনরায় উক্ত পদে প্রার্থী হতে পারবেন। তবে নির্দেশনা াকে কোন সভাপতি দুই মেয়াদে (০২ বছর) সভাপতি নির্বাচিত হলে একই পদে তৃতীয়বারের মত প্রার্থী হতে পারবেন না।
(খ) সম্পাদকঃ তিনি এই সংগঠনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন। সংগঠন থেকে অর্পিত দায়িত্ব নিয়মিত তদারক করবেন। সভাপতির সাথে আলোচনাক্রমে সকল সভা আহবান করবেন। কার্যনির্বাহী পরিষদের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে তিনি কাজ বণ্টন ও তাদের মধ্যে সমন্বয় সাধন করবেন। তিনি সভাপতির নিকট তার কর্মকান্ডের জন্য জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকবেন।

(খ) কার্যকরী সদস্যঃ তিনি বা তাহারা সংগঠনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে বিবেচিত হবে এবং তার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি বা তাহারা তাদেও কর্মকান্ডের জন্য সম্পাদকের নিকট জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকবেন।

(ঘ) কোষাধ্যক্ষঃ তিনি সংগঠনের তহবিল রক্ষণাবেক্ষণ করবেন এবং বার্ষিক হিসাব নিরীক্ষার ব্যবস্থা করবেন। সংগঠনের বার্ষিক সাধারণ সভায় নিরীক্ষিত বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব পেশ করবেন । তিনি প্রয়োজনীয় খরচ বাবদ সর্বোচ্চ ৫০০০/= (পাঁচ হাজার) টাকা পর্যন্ত কাছে রাখতে পারবেন ।

ধারা – (৯) আয়ের উৎসঃ সরকারী অনুদান, সদস্যদের বার্ষিক চাঁদা, অতিরিক্ত চাঁদা (যদি আরোপিত হয়), সহ সংগঠনের স্বার্থ বিরোধী নয় এমন কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অনুদান, সংগঠনের আয়ের উৎস হবে। প্রয়োজনে বিশেষ অনুষ্ঠান বা কার্যক্রম গ্রহণ করে অনুষ্ঠানে প্রবেশ মুল্য অথবা প্রকাশনায় বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহ করা যাবে।

ধারা – (১০) অর্থ পরিচালনাঃ কোন বাণিজ্যিক ব্যাংকে সংগঠনের নামে একটি হিসাব খুলে তহবিল সংরক্ষন করা হবে। সভাপতি বা সাধারন সম্পাদক এবং কোষাধ্যক্ষ যুগ্মভাবে এই হিসাব পরিচালনা করবেন। কোষাধ্যক্ষ আবশ্যিক এবং সভাপতি ও সম্পাদক দুজনের মধ্যে যে কোন একজনের স্বাক্ষওে হিসাব পরিচালিত হবে।

ধারা – (১১) কমিটি, উপ-কমিটি, এডহক কমিটি গঠন ও বিলোপঃ সংগঠনের গঠনতন্ত্রের মধ্যে থেকে বিভিন্ন কার্যাবলী সম্পাদনের জন্য কমিটি, এডহক, উপ কমিটি, গঠন করা যেতে পারে।এসকল কমিটি সংগঠনের গঠনতন্ত্রের মধ্যে থেকে অর্পিত কার্যাবলী সম্পাদন করবে ও সংশ্লিষ্ঠ সম্পাদকের নিকট জবাবদিহী করবে। সংগঠনের স্বার্থ পরিপন্থী ও আর্থিক ক্ষতির সাথে সংশিষ্টতার কারনে উক্ত কমিটি বাতিল বা পুন:গঠন করতে পারবে। যে কোনো কমিটির মেয়াদ শেষ হলে তা অকার্যকর বলে বিবেচিত হবে।

ধারা – (১২) গঠনতন্ত্র সংশোধনঃ গঠনতন্ত্রের সংশোধন, পরিবর্তন ও পরিবর্ধনের জন্য কোন সদস্য গঠনতন্ত্রের উপর সংশোধনী প্রস্তাব আনতে চাইলে সংগঠনের দুই তৃতীয়াংশ সদস্যের অনুমতি নিতে হবে। প্রয়োজনকল্পে উপদেষ্টা কমিটির সাথে বসে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। উক্ত সংশোধনী প্রস্তাব প্রথমে কার্যনিবার্হী পরিষদের সভায় অনুমোদন করাতে হবে। তবে চুড়ান্ত অনুমোদনের জন্য নিবন্ধিকরন কর্তৃপক্ষের নিকট পেশ করতে হবে। নিবন্ধিকরন কর্তৃপক্ষের কর্তৃক অনুমোদিত হলে উক্ত সংশোধনী কার্যকর বলে বিবেচিত হবে ।

এই গঠনতন্ত্রে মোট ১২টি ধারা লিপিবদ্ধ আছে। নতুন ধারা সংযোজন করা হলে তা ধারাক্রমে লিখিত হবে।

Exclusive SEO Backlinking Formula Marketing Giveaway (Worth $99)

Call to Action